স্থানিকের চিহ্ন ।। জ্যোতি পোদ্দার
মিশ্র বৃক্ষের বনে চোখ ক্লান্ত হয় না— বরং ছলকে ছলকে বিস্ফারিত হয়ে ওঠে। হাঁটতে হাঁটতে শরীর অবসন্ন হয়ে পড়লে এমন […]
মিশ্র বৃক্ষের বনে চোখ ক্লান্ত হয় না— বরং ছলকে ছলকে বিস্ফারিত হয়ে ওঠে। হাঁটতে হাঁটতে শরীর অবসন্ন হয়ে পড়লে এমন […]
একদেশে ছিলো এক দরিদ্র লোক। তিনি ছিলেন নিঃসন্তান। অনেক চেষ্টা তদবির করে শেষে তার একটা বাচ্চা হয়। বাচ্চাটি মানুষের ছিলো
সপ্তমী দাশ – ০৭ তোমার ভেতরে আহা এত স্নিগ্ধ শান্তি, মুগ্ধতা! এত নরম হৃদয় তোমার! আমি ক্ষত্রিয় হয়েও— তীর
মুহূর্ত রসুইঘরে, হঠাৎ দুধের পেয়ালা অসাবধানে উল্টে গেলে তুমি তুলে আনো- শিমুল কাঁটার ছায়ায় নতমুখে দাড়িয়ে থাকা অন্ধকারে আমার একলা
ফেইট অফ দ্যা ফ্যানাটিক প্রেমিকার মুক্তমনের সাথে ঘষা খেয়ে উঠে গেলো জীবনের ছাল ফার্মেসী ব্যবসায়ে টান লাগা–
আসড় অনুভব আহমেদ শব্দকে নিঃশব্দ করে দিয়ে তাকিয়ে থাকি অনন্তের দিকে মিলাই না আর নিজেকে আরও গভীরে নিমজ্জন পৃথিবীর তূর্ণাভ
জীবনমাত্রা আমাদের অমিত্রাক্ষর প্রেমের স্বরব্যঞ্জনা সুখে ঘুচিয়ে দিবো অমরাফুলের দুঃখ। তারপর ফিরে যাবো মুক্তছন্দ প্রেমে— আমাদের সূচনাসুখে। প্রেমবানে সারিয়ে তুলবো
বেদনা দীর্ঘজীবী হইতেছে যেহেতু…. আধমরা শালিকরে বুকে পুষে বড় আরাম পাইতেছি। ঝিলিক দিয়া রোদ আসতেছে। সেই রোদে শালিকের জন্যে ধান
১. স্মৃতিগুলা হইয়া উঠুক একটা সাজানো গোছানো ফটো অ্যালবাম। অথবা মনে করো, সিন্দুকে তুইলা রাখা কিছু পুরাতন চিঠির খাম। মন
কবিতা অনেক রকম। চেহারার দিক থেকে, স্বাদের দিক থেকে কিংবা বক্তব্যবিষয়ের দিক থেকে এই রকমফের। কবিতার এই বহুরূপ সাধারণ পাঠকের