কবিতা 

কৈজাশ কোয়েঝা’র একগুচ্ছ কবিতা

১. ধোঁয়ার কবাট খুললে বেরিয়ে আসে রেশমি পাখির ডাক। শোনা যায় সমুদ্রপথের শঠকারীতা- হবিলেস নিকোটিন দরজা আটকিয়ে দিলে আমরা টেবিলে বসি। গপ্পো জমাই নিঃস্ব বর্তমানের। কখনো টেবিল বাজাই শ্বাসের পাউডার মেখে। তাল কাটলে মন্থনের গোধূলী স্নানের জলশূন্যতা মনে পড়ে। তবু বসে থাকি মিসলটো জগের হাতলে মাথা রেখে। শুনি জলাতঙ্ক পরীদের বাসনার পরিপক্বতা।   ২. ওহে ভায়াগ্রা জাতক- তলদেশীয় মোজার গিট্টু কলাপী মামু, ইম্পেরিয়াল তারের জোড়ায় মাসকিন ট্যাপ পেঁচালে গতিরোধ হয় কি? ভাবনার চোলাই গলানো শক্তিধর প্রেমিক ভায়া, এক্সপ্রেশনের তাবিজে নজর ধরো বেরিয়েও যেতে পারে বাঁধের ভাত শালিক নায়াগ্রা থেমে চাদরে…

Read More
কবিতা 

সুজালো যশ এর পাঁচটি কবিতা

হরিদ্রা হরিৎ বন্ধু রাফাত’কে ফাল্গুনীর চোখে ঢুকেই দেখি ছাতিমের হৃদয় থেকে সহস্র হারমোনিকা উড়ে যাচ্ছে ক্লান্ত ফুলেরা ঘুমাচ্ছে সবুজাভ দৃশ্য জড়িয়ে তাই ভাবলাম এবার অবলোকিতেশ্বর পাখি হবো পাহাড়ি নদীর সাথে সুর মিলিয়ে বলবো দুঃখ করোনা জীবন! এ যাবত- যতবার গোলক ধাঁধায় পড়েছি ততবার ঋণী হয়েছি এই বনজ কোলাহলের কাছে।   সওদাগরি চুমোর দিনে বিষণ্ণ দো-চুওয়ানির কোলে বোয়াল সন্ধ্যা নেমে এলে তরমুজবাদ থেকে কিছু অর্গ‍্যানিক কাজুফল উড়ে যায় উপেক্ষিত নাগর দোলায় তবুও দংশিত ঘেরা রোদ পৈতৃক মেনিফেস্টে অগ্রন্থিত ঠোঁট তুলে রাখে বহুরৈখিক চোখের কণায়।   প্রতিধ্বনির প্রতিফলন ধোঁয়াসার তত্ত্ব আওড়ে কার…

Read More