কবিতা 

নাদিয়া জান্নাতের তিনটি কবিতা

বেদনা দীর্ঘজীবী হইতেছে যেহেতু…. আধমরা শালিকরে বুকে পুষে বড় আরাম পাইতেছি। ঝিলিক দিয়া রোদ আসতেছে। সেই রোদে শালিকের জন্যে ধান ছিটাইতেছি শালিকটা নাচতে নাচতে বুকের ভেতর আসতেছে, কিন্তু কোন ধান খাইতেছে না। আমি অবশ্য জোরাজুরি করতেছি— সে শুনতেছে না। সে কেবল নাচতেছে আর নাচতেছে— আমার হঠাৎ করেই মনে হইলো এটা তো অঘ্রাণ মাস। ধানকাটা হয়ে গেছে। এখানে সেখানে মাঠে— ঘাটে ধান শুকানোর বেলা এখন। আধমরা শালিকটার আর ধানের অভাব নাই। তবুও, ধানের লোভে পাখিটা যে আসতেছে, বুকের ভেতর এইটা ভেবে প্রচুর আনন্দ পাইতেছি আমি   আমলনামা তোমারে যে দুনিয়ায় রেখে…

Read More
কবিতা 

সা র শু’র তিনটি কবিতা

১. স্মৃতিগুলা হইয়া উঠুক একটা সাজানো গোছানো ফটো অ্যালবাম। অথবা মনে করো, সিন্দুকে তুইলা রাখা কিছু পুরাতন চিঠির খাম। মন চাইলে খুইলা নাইড়া চাইড়া দেখলাম। কোন বিচার নাই, কোন সংযোগ নাই। যা আছে যেমন, তেমনই। বাতাস যেমন নির্বিচারে হাত বুলায় গাছের পাতায়, কিংবা ঝরনা যেমনে গড়ায়ে যায় পাথরে পাথরে। তেমনে এক একনিষ্ঠ দর্শক হইয়া, দেখতাম তাগোরে। তারপর ইচ্ছা করলেই, আবার তুইলা রাখতাম, যত্নে। যেমন আছে তেমন। অ্যাজ ইট ইজ।  (আগস্ট ২, ২০ || মধুপুর)

Read More