ধরা যাক দু’একটা ইঁদুর এবার—।। হাসিন এহ্সাস লগ্ন
বার্জার পেইন্টের ঝাঁঝালো ঘ্রাণ আমাকে সবসময় টানে। নেইলপলিশ আর স্পিরিট। কাঠের দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় বার্নিশ। ছোটবেলা থেকে এখনও […]
বার্জার পেইন্টের ঝাঁঝালো ঘ্রাণ আমাকে সবসময় টানে। নেইলপলিশ আর স্পিরিট। কাঠের দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় বার্নিশ। ছোটবেলা থেকে এখনও […]
আর্চার কেন্ট ব্লাড বাঙালিদের কাছে সুপরিচিত তার ব্লাড টেলিগ্রামের মাধ্যমে । মার্কিন কূটনীতিক আর্চার কেন্ট ব্লাড ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তানের
আরমানিটোলা মাঠ নিছক মাঠ নয়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অনেক গুরুত্বপুর্ণ ঘটনার সাক্ষী এই মাঠ। এই মাঠের গল্প বলার আগে আমরা
আমি মনে করি সাক্ষাৎকার হলো শিল্পের নতুন একটি কাঠামো। আমি মনে করি আত্ম-সাক্ষাৎকার হলো সৃজনশীলতার নির্যাস। নিজেকে নিজে প্রশ্ন করা
একদা এক বুড়োবুড়ি নির্জন এক ছরায় গিয়ে ম্যায়াহ্ দিয়ে মাছ ধরছিলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের ম্যায়াহ্য় একটা মাছ ধরা পরলো। মাছ
মিশ্র বৃক্ষের বনে চোখ ক্লান্ত হয় না— বরং ছলকে ছলকে বিস্ফারিত হয়ে ওঠে। হাঁটতে হাঁটতে শরীর অবসন্ন হয়ে পড়লে এমন
একদেশে ছিলো এক দরিদ্র লোক। তিনি ছিলেন নিঃসন্তান। অনেক চেষ্টা তদবির করে শেষে তার একটা বাচ্চা হয়। বাচ্চাটি মানুষের ছিলো
পাহাড় থেকে দূরের কোন এক গ্রামে এক অলস ব্যক্তি বাস করতো। নাম ছিলো তার আপ্যায়াৎ। সারা বছরে গোসল করতো মাত্র
‘আমি খুন করেছিলাম’, রবির গলা দিয়ে উষ্ণ তরল নেমে গেলো। স্বর্গে কখনো কড়া রোদ পড়ে না। মিষ্টি রোদ, মৃদু বাতাস।
আমতত্ত্ব আজ ভোর থেকে রবীন্দ্রনাথ আমার ভেতরে গুনগুন করে গাইছে, তাঁর হাত ধরে আমার ঘুরতে ভালো লাগে, কিছু কিছু নিঃসঙ্গ